জাতীয়

সম্রাটের মুক্তি চেয়ে আদালতের বাইরে হাজার হাজার নেতা-কর্মীর স্লোগান

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আজ মঙ্গলবার মহানগর দায়রা জজ কোর্টে আনা হয়েছে। সম্রাটকে আনার খবরে আদালতের বাইরের সড়কে হয়েছে

হাজার নেতা-কর্মী। তারা সম্রাটের মুক্তি চেয়ে স্লোগান দিচ্ছেন। জড়ো হওয়া বহু নেতা-কর্মীর হাতে সম্রাটের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যাচ্ছে। তাতে সম্রাটকে মুক্তি চেয়ে স্লোগান লেখা রয়েছে। জানা যায়, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টায়

তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এদিন সম্রাটের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র মামলায় চার্জশিট আমলে গ্রহণ করবেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, আদালতের হাজতখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক নৃপেন রায় জানান, সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণে সম্রাটের মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিচ্ছেন নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এর আগেও গত বছর ১৫ অক্টোবর বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সম্রাটকে আদালতে হাজির করার পর সিএমএম আদালতের

সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন যুবলীগের নেতাকর্মীরা। সেবারও তারা
সম্রাটের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন। যুবলীগের নেতাকর্মীরা মুক্তি চাই, মুক্তি চাই সম্রাট ভাইয়ের মুক্তি চাই’, ‘রাজপথের সম্রাটের নিঃশর্ত মুক্তি চাই’—এমন নানা স্লোগান দেন। পরে তাদের গেটের বাইরে রেখে গেট আটকে দেওয়া হয়। ওইদিন সকালে সিএমএম আদালত চত্বরে সম্রাটের মুক্তি পরিষদ সংগঠন থেকে

সম্রাটের মুক্তির দাবিতে পোস্টার লাগানো হয়। পোস্টারে লেখা হয়, সম্রাট খুবই অসুস্থ। মানবতার জননী তাকে বাঁচান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার তৃণমূলের পরীক্ষিত কর্মী ঢাকার রাজপথের সাহসী বীর ইসমাইল হোসেন সম্রাটের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।’প্রসঙ্গত, গত বছরের ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে

গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তাকে নিয়ে দুপুর দেড়টার দিকে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও পিস্তল উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় ৭ অক্টোবর র‌্যাব-১-এর ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় দুটি মামলা দায়ের করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close