আলোচিত বাংলাদেশ

পুলিশ ফাঁড়িতে এত বড় ঘটনা ঘটলো, অথচ ওসি সেলিম ছুটিতে: মিসবাহ সিরাজ

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপর ‘মহাক্ষ্যাপা’ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সাংগঠনকি সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদের মায়ের বাড়িতে

রোববার (১৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ঝাঁঝালো বক্তব্য দেন সরকারদলীয় এ প্রভাবশালী নেতা।তিনি তাঁর বক্তব্যের পুরোটা সময় রায়হান হত্যার ঘটনায় সিলেট মহানগর পুলিশকে (এসএমপি) অভিযুক্ত করেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিলেট

মহানগর পুলিশের দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। রায়হান নিহতের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত এস.আই আকবর নিখোঁজ কেন? সে এখন কোথায় আছে? এসব প্রশ্নের উত্তর এসএমপি কমিশনারই বলতে পারবেন। এসএমপি কমিশনারের কাছে এসব প্রশ্ন করতে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান মিসবাহ সিরাজ।
তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি সেলিম মিয়া রায়হান হত্যার আগে থেকেই ছুটিতে। ঘটনার

পর থেকে ছুটির মেয়াদ শুধু বাড়িয়েই যাচ্ছেন তিনি। তার থানাধীন এলাকায় এত বড় একটি ঘটনা ঘটলো, অথচ তিনি ছুটিতে! এর কারণ কী? মিসবাহ সিরাজ বলেন, সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ
রায়হানের পরিবারকে শান্তনা দিতে বাসায় এসেছে কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য- প্রশাসনের ডিসি বলেন আর পুলিশ কমিশনার বলেন কেউ আসেননি। পরবর্তীতে আমরা স্মারকলিপি দিয়ে যখন অনুরোধ করলাম, সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ডিসি ও কমিশনারের উপরে
চাপ সৃষ্টি করলাম তখন তারা রায়হানের বাড়িতে এলেন, তারা

কিন্তু সেচ্ছায় আসেননি। তিনি বলেন, এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে নববধূ গণধর্ষণের ঘটনার পরে জেলা পুলিশ এবং র‌্যাব অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ও মামলার আসামিদের গ্রেফতার করে। কিন্তু ঘটনা ঘটলো এসএমপির শাহপরাণ থানায়, এ থানার পুলিশ
অথবা মহানগর পুলিশের কোনো দল কি তাদের আটক করেছে? করেনি। মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ প্রশ্ন তুলে বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেনো এই ধামাচাপা? তিনি বলেন, আমরা রায়হানের

শিশুসন্তানকে কোলে নিয়ে এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের জন্য শপথ
নিয়েছি। আজ পরিবারের পক্ষ থেকে ৭২ ঘন্টার যে আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে, তার সাথে একাত্মতা ঘোষণা করছি। পরিশেষে রায়হান হত্যাকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নজর কামনা করেন অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close