আলোচিত বাংলাদেশ

দল থেকে আলাদা হয়েই নূরকে নিয়ে চা’ঞ্চ’ল্যকর তথ্য ফাঁ’স

সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর ও রাশেদ খাঁনকে অবা’ঞ্ছিত ঘোষণা করে পাল্টা কমিটির ঘোষণা দেয়া এ টি এম সোহেল এ কথা বলেছেন। সোহেল

বলেন, ‘সংগঠনের অভ্য’ন্তরে কিছু সত্য রয়েছে যা অনেকেই জানে, কিন্তু প্রকাশ করে না। এর উদাহ’রণ যদি দেই, তাহলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষার্থী ধ”র্ষ’ণ ও সহযোগিতার মা’মলা করেছে, তা সত্য জেনেও অনেকে প্রকাশ করে না।’ ‘এমনকি

এই ঘ’টনাকে রাজনৈতিক প্র’তিহিং’সা দাবি করে ধা’পাচা’পা দেয়ার চে’ষ্টা করেছে তারা।’ নুরুল হক নুরদের বি’রুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, আর্থিক অনিয়মের অ’ভি’যোগ এনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের নতুন কমিটির

সদস্যসচিব ইসমাইল সম্রাট। এই ঘটনাটি নিয়ে সংগঠনে অনেক আলোচনা হয়েছে বলেও জানান সোহেল। তিনি বলেন, ‘মামুনকে (ছাত্র অধিকার পরিষদের বহি’ষ্কৃত আহ্বায়ক হাসান আল মামুন) চাপ দেয়া হলে সে তো নিজেই মে’য়েটিকে বলেছে আ’দালতে যেতে।‘তারা (মামুন ও তার সহযোগীরা) ভেবেছিল মে’য়েটি

একটি মৌলভী পরিবার থেকে এসেছে। সে এটা নিয়ে হৈ চৈ করবে না।’ ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের কাছে মে’য়েটা অনেক আগে থেকে বিচার চেয়ে আসছে। তার সব ঘ’টনা খুলে বলেছে। ন্যায়বিচারের দাবি করেছে। তখন তাকে (বাদী) বারবার আশ্বা’স দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সমাধান হয়নি।’ মামুনের সঙ্গে তাঁর প্রে’মের স’ম্পর্ক ছিল, এটা আম’রা সবাই জানতাম। তাকে খাবারএনে

খাওয়াত।’ এ নিয়ে কথা তো’লার পর নুরের মামুন-নুরের সহযোগীদের আ’ক্র’মণের মুখে পড়’তে হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন সোহেল। বলেন, ‘আম’রা যারা সমাধান করতে চেয়েছিলাম, উ’ল্টো আমাদেরকে বলা হয়েছে আম’রা ষ’ড়য’ন্ত্রকারী।’ গত ২০ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনের বি’রু’দ্ধে ধ”র্ষ’ণের অ’ভি’যোগ এনে মা’মলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার

বিভাগের এক ছা’ত্রী। এতে নুরসহ পাঁচ জনের বি’রু’দ্ধে আনা হয় সহযোগিতার অ’ভি’যোগ। এটা আসলে সরকারই করাচ্ছে: নুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ নামে নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার বিষয়টি সরকারই করাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে আমাদের বলার কিছু নেই। আম’রা গুরুত্ব দিচ্ছি না। এটা আসলে

সরকারই করাচ্ছে। সরকারি দলের পৃষ্ঠপোষকতায় এরা আসলে এই কাজগুলো করছে।’ কোটা সংস্কার আ’ন্দোলনের সময় গঠিত বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নূর বাংলা ট্রিবিউনকে আরও বলেন, “প্রেস ক্লাবে যারা সংবাদ সম্মেলন করেছে তারা আমাদের সংগঠনের কেউ না। আম’রা লাইভে দেখেছি যে ওখানে যারা আছে তাদের একজন ‘চাকরির বয়সসীমা ৩৫’ এর আ’ন্দোলনকারী, ঐক্যবদ্ধ সাধারণ ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক। কয়েকজনকে আম’রা

চিনিও না। ওখানে এ পি এম সুহেল ছাত্র অধিকার পরিষদে ছিল। কিন্তু গত মে মাসে তাকে সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে যু’ক্ত থাকার কারণে বহিস্কার করা হয়েছে। কাজেই তারা সংগঠনের কেউ না।” তিনি বলেন, “আম’রা কোটা সংস্কার আ’ন্দোলন করেছিলাম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ হিসেবে। সেই আ’ন্দোলনের পরে যেহেতু আম’রা একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার দিকে যাচ্ছি সেখানে আম’রা নামটি সংশোধন করে আম’রা ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ’

করেছি। এখন আগের নাম নিয়ে কেউ যদি দাবি করে সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় না। তারপরও একজন সংগঠন করতেই পারে। এ নিয়ে আমাদের বলার কিছু নেই। আম’রা গুরুত্ব দিচ্ছি না। এটা আসলে সরকারই করাচ্ছে। সরকারি দলের পৃষ্ঠপোষকতায় এরা আসলে এই কাজগুলো করছে।” উল্লেখ্য, ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্ম’দ রাশেদ খান ও ডাকসুর সাবেক

ভিপি নুরুল হক নুরকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে একই সংগঠনের ২২ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে তারা এই ঘোষণা দেন। আগের ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ নামেই তারা নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close